তামাক গাছ থেকে তৈরি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করে মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকার চাষিরা দ্বিগুণ ফলন পাচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বাবদ খরচ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। এই কারণে মেহেরপুরের চাষিদের কাছে এই সার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মেহেরপুর শহরের স্টেডিয়ামপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল্লাহেল বাকি একটি ট্যোবাকো কোম্পানিতে চাকরির অভিজ্ঞতায় এই কম্পোস্ট সারের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। ভালো ফলন পেয়ে চাষিরা খুশি।
আব্দুল্লাহেল বাকি বলেন, যদিও ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তারপরও তামাক গাছ ফসলের জন্য সার হিসেবে উপযোগী। তিনি বলেন, এই গাছ মাঠের জমিতে ১২০ থেকে ১৩৫ দিন পর্যন্ত থাকে। ওই সময়ে তামাক গাছ মাটি থেকে যে সার মিশ্রিত খাদ্য গ্রহণ করে তা গাছের দেহে যৌগিক পদার্থ হিসেবে জমা থাকে। কাঁচা অবস্থায় ওই গাছ কেটে সার প্রস্তুতের জন্য ব্যবহার করা হলে যৌগিক পদার্থ কম্পোস্ট সারের সাথে মিশে যায়। প্রতিবছর মেহেরপুর-কুষ্টিয়া অঞ্চলে বিভিন্ন তামাক কোম্পানির সহযোগিতায় প্রায় ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়ে থাকে। তাই এখানে তামাক গাছ পাওয়া সহজ লভ্য।