অবরোধের ২১ দিনে রাজশাহীতে দগ্ধ ১৩

 
টানা অবরোধ-হরতাল সত্ত্বেও রাজশাহীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় সড়ক-মহাসড়কে যান চলাচল বেড়েছে। কিন্তু থামছে না অবরোধ-হরতাল সমর্থকদের নাশকতামূলক তত্পরতা। প্রকৃত অপরাধীরা গ্রেফতার না হওয়ায় গত ২১ দিনে রাজশাহীতে চারটি বাস ও ১৪টি ট্রাকে পেট্রোল বোমার আগুন দিয়েছে তারা। এতে নারী ও শিশুসহ ১৩ জন দগ্ধ হয়েছে। তাদের ১২ জন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এবং একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। এসময় ভাংচুর করা হয় অর্ধশতাধিক যানবাহন। সর্বশেষ রবিবার রাতে অবরোধকারিরা চারঘাট উপজেলার হেমন্তর মোড়ে ট্রাকে পেট্রোল বোমা হামলা চালায় তারা। এতে ট্রাকের চালক ষষ্ঠি চন্দ্র দাস (৪৫) ও তার সহকারী শাহাবুল (৩৩) গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। তাদের রাতেই রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চারঘাট থানার ওসি খন্দকার গোলাম মর্ত্তুজা জানান, ট্রাক চালক ষষ্ঠি রাজশাহী চিনিকলের উপজাত দ্রব্য (গাদ) নিয়ে চারঘাটের মুংলী গ্রামের একটি ইটভাটায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে খালি ট্রাক নিয়ে নিজ বাড়ি পুঠিয়া সদরে ফেরার পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার হেমন্তের মোড়ে ট্রাকের সামনে থেকে হরতাল-অবরোধকারিরা পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। । খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল কর্মীরা গিয়ে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
ওসি আরও  জানান, উক্ত ট্রাকে আগুনের মামলায় উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ নাজমুল হককে রাতেই গ্রেফতার করা হয়। তাকে ওই নাশকতার মামলায় হুকুমের আসামী করে সোমবার আদালতের মাধ্যজে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।