জয়ের দ্বারপ্রান্তে ঢাকা রংপুর খুলনা

জাতীয় লিগের এবারের আসরে প্রথম রাউন্ডের চারটা ম্যাচকেই একই সূত্র দিয়ে বাঁধা যায়। আসলে প্রত্যেকটা ভেন্যুতেই লাগামটা ধরে রেখেছে একটা পক্ষ। মিরপুরে তো ফলাফল চলে এসেছে তিনদিনেই। বাকি ভেন্যুগুলোতেও লড়াইটা একপেশে। আর সেখানে জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে খুলনা বিভাগ, রংপুর বিভাগ ও ঢাকা মেট্রো।
এর মধ্যে ঢাকা মেট্রো জয়টা এক অর্থে নিশ্চিতই করে ফেলেছে। বিকেএসপি’র দুই নম্বর মাঠে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭৫ রান করে রাজশাহী বিভাগের সামনে ৪৬০ রানের টার্গেট দিয়েছে ঢাকা মেট্রো। আর এতে সবচেয়ে বড় অবদান দল মেহরাব হোসেন জুনিয়রের। মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান করেন ১০৮ রান। এর বাইরে আসিফ আহমেদ রাতুলও খেলেন ৬৬ রানের এক ইনিংস।
জবাবে, ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৩ ওভার ব্যাট করেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী বিভাগ। এখন চতুর্থ দিনে মাত্র চার উইকেট হাতে নিয়ে আরও ৩৫৮ রান করতে হবে রাজশাহীকে।
জয়ের লড়াইয়ে এর পর যে দলটা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে সেই দলটা হল খুলনা বিভাগ। বিকেএসপির দুই নম্বর মাঠে সিলেটের বিপক্ষে জয়ের জন্য দলটির দরকার আর মাত্র তিন উইকেট। অন্যদিকে সিলেটের জিততে হলে করতে হবে আরও ২১৫ রান। পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েও দিনে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল ছিলেন রাজশাহীর বাঁ-হাতি অফ স্পিনার সাকলায়েন সজীব। একাই ছয়টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে খুলনার অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাক নিয়েছেন চারটি উইকেট।
এদিকে, ঢাকা মেট্রো কিংবা খুলনা বিভাগের মতো না হলেও তৃতীয় দিনেই জয়ের ক্ষেত্রটা মোটামুটি নিশ্চিত করে ফেলেছে রংপুর বিভাগ। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনে সাত উইকেট হাতে নিয়ে জয়ের জন্য আরও ৩৩৬ রান দরকার চট্টগ্রাম বিভাগের।
 
সংক্ষিপ্ত স্কোর —
 
ঢাকা মেট্রো — রাজশাহী বিভাগ
ভেন্যু : বিকেএসপি-৩
টস : ঢাকা মেট্রো
ঢাকা মেট্রো : প্রথম ইনিংসে ৩০২ অল আউট ও দ্বিতীয় ইনিসে ৩৭৫ অল আউট (মেহরাব হোসেন জুনিয়র ১০৮, আসিফ আহমেদ রাতুল ৬৬, সৈকত আলী ৪৬, মেহেদি মারুফ ৪৬, মোহাম্মদ শহীদ ৪৪; সাকলাইন সজীব ৬/১২০, দেলোয়ার হোসেন ২/৬১, সাঞ্জামুল ইসলাম ২/১০৯)
রাজশাহী বিভাগ : প্রথম ইনিংসে  ২১৮ অল আউট ও ১০১/৬ (ফরহাদ হোসেন ৪৪*; সৈকত আলী ৪/৩৪, ইলিয়াস সানি ২/২২)
 
চট্টগ্রাম বিভাগ — রংপুর বিভাগ
ভেন্যু : খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, ফতুল্লা
টস : চট্টগ্রাম বিভাগ
রংপুর বিভাগ : প্রথম ইনিংসে ২৬৯ অল আউট ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৭/৫ ডিক্লেয়ার (লিটন কুমার ১৫০, তারিক আহমেদ ৪৩; ফয়সাল হোসেন ২/৫১)
চট্টগ্রাম বিভাগ : প্রথম ইনিংসে ১০৭ অল আউট ও ৮৩/৩ (মাহবুবুল করিম ৩২; সোহরাওয়ার্দি শুভ ১/১৫)
 
 
খুলনা বিভাগ — সিলেট বিভাগ
ভেন্যু : বিকেএসপি-২
টস: সিলেট বিভাগ
খুলনা বিভাগ : প্রথম ইনিংসে ৫৩৬/৮ ডিক্লেয়ার
সিলেট বিভাগ: প্রথম ইনিংসে ১৮৪ অল আউট (সায়েম আলম ৪৪, নাজমুল হোসেন ৩২, অলোক কাপালী ৩০, এনামুল হক ২৩; মুরাদ খান ৩/২৭, রবিউল ইসলাম রবি ২/৭, ডলার মাহমুদ ২/৫২, আব্দুর রাজ্জাক ২/৬০) ও দ্বিতীয় ইনিংসে  ১৩৭/৭ (নাজমুল মিলন ২৪, আলি আকবর ২২*, ইমতিয়াজ হোসেন ২১; আব্দুর রাজ্জাক ৪/৪৯)