ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া

এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ৩১ জানুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার নিউক্যাসল স্টেডিয়ামে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকেট পায় তারা। ম্যাচের মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই সকারুজদের দুই গোলের লিড এনে দেন ট্রেন্ট সেইন্সবুরি ও জ্যাসন ডেভিডসন। বাকি ৭৫ মিনিটেও ম্যাচের অবস্থা থাকে অপরিবর্তিত। এর আগে গত সোমবার প্রথম সেমিতে ইরাককে একই ব্যবধানে হারায় এশিয়ান পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রতিপক্ষ গোলমুখে জটলার মধ্যে লাফিয়ে ওঠা এক হেডে খেলার মাত্র তিন মিনিটে আরব আমিরাতের জালে বল পাঠিয়ে দেন সেইন্সবুরি। এর ১২ মিনিট বাদে আবার স্বাগতিক দর্শকদের আনন্দে ভাসায় অস্ট্রেলিয়া। এবার গোল আসে ম্যাচের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ডেভিডসনের কাছ থেকে। ফলে নিশ্চিত হয়ে যায় টুর্নামেন্টের সেরা পারফরম করা দুই দলই মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে।
এর আগে সোমবার ২০০৭ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে সোমবার ইরাককে হারিয়ে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল নিশ্চিত করে দক্ষিণ কোরিয়া। সিডনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়া ২-০ গোলে ইরাককে পরাজিত করে। বিজয়ী দলের পক্ষে গোল করেছেন লি জেয়ং-হেয়প ও কিম ইয়ং-গোন। ২০০৭ সালে জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপের সেমি-ফাইনালে টাইব্রেকারে কোরিয়ানদের হাতে পরাজিত হয়েছিল ইরাকীরা। সেই অর্থে আজকের ম্যাচটি ছিল তাদের কাছে প্রতিশোধের ম্যাচ। কিন্তু প্রতিশোধ তো দূরের কথা কোরিয়ানদের একচেটিয়া আধিপত্যের কাছে দুর্ভাগ্যজনকভাবে নতী স্বীকার করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির।
ম্যাচের ২০ তম মিনিটেই কিম জিন-সুর ফ্রি কিকের বল দিয়ে গোল করে কোরিয়াকে এগিয়ে দেন লী (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হবার ৫ মিনিট পরেই ইরাকী শিবিরে ফের হানা দেন গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের নায়ক লী। তার কাছ থেকে পাওয়া বলে কিম জোরের ওপর শটের সাহায্যে গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া।