৩৪তম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষা বুধবার শুরু

 
 
 
৩৪তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) মৌখিক পরীক্ষা বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) কার্যালয়ে সাধারণ ক্যাডারে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি দুই দিন ১০জন করে ২০জন পরীক্ষার্থীর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। আর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে ১৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে। জেনারেল ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১ হাজার ২৫২ জনের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের টানা অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় অনেক পরীক্ষার্থী বিপাকে পড়েছে।
এ বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান ইকরাম আহমেদ  ‘পূর্ব নির্ধারিত সময়ানুযায়ী মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অবরোধের কারণে সময়সূচি পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’
গত ১৮ ডিসেম্বর বিধিমালা অনুসরণ না করেই প্রথম দফা ৩৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছিল পিএসসি। প্রথমবার ওই ফলাফলে উত্তীর্ণ হন ৯ হাজার ৮২২ জন। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে ৫৯২২ জন, সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারে ২০৯৬ এবং শুধু কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারে ১৭৮০ জন উত্তীর্ণ হয়। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর বিধি অনুসরণ করে নতুন ফলাফল প্রকাশ করে কমিশন। এতে নতুন করে ১৪৪ জনকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়। এ ছাড়াও প্রথম ফলাফলে সাধারণ ক্যাডারে উত্তীর্ণ ৯৫৩ জনকে কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারে উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হন। তবে এর আগে এই বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের শুরু থেকে এক ধরনের বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে কমিশন। প্রথম বারের মতো প্রিলিমিনারিতে কোটা পদ্ধতি চালু করায় অনেক মেধাবী বঞ্চিত হন। এ নিয়ে সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে গত বছরের ১০ জুলাই ফল পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় পিএসসি।
উল্লেখ্য, দুই হাজার ৫২টি পদে নিয়োগে ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে পিএসসি। ওই বছরের ২৪ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১ লাখ ৯৬ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।