ফেঁসে যাচ্ছেন ডিজিসহ ৪ কর্মকর্তা

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতি অভিযোগের অনুসন্ধান প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হয়েছে।
 মঙ্গলবার বিকালে অনুসন্ধানকারী টিম কমিশনের এ প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে দুদকের মহাপরিচালকসহ চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এ প্রতিবেদনে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন, দুদকের মহাপরিচালক (ডিজি) কামরুল হাসান মোল্লা, পরিচালক গোলাম ইয়াহিয়া, পরিচালক আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া ও উপ-পরিচালক ঢালী আব্দুস সামাদ।
এর মধ্যে পরিচালক গোলাম ইয়াহিয়ার অনুসন্ধান প্রতিবেদন ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর কমিশনে দাখিল করা হয়েছে। এর আগেই তিনি সনদ জালিয়াতির দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি তারা হলেন, দুদকের উপ-পরিচালক এস এম গোলাম মাওলা সিদ্দিকী, সাবেক উপ-পরিচালক রঞ্জন কুমার মজুমদার, সহকারী পরিদর্শক আব্দুস সোবহান, কোর্ট সহকারী (এএসআই) নুরুল ইসলাম ও ইসহাক ফকির।
দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধানকারী টিম মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অভিযুক্তদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন, নামের সনদ, মুক্তিবার্তায় প্রকাশিত নাম ও সংশ্লিষ্ট যাবতীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও তা পর্যালোচনা করেছে। এ ছাড়া ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্ভিস বুকের যাবতীয় তথ্যও কমিশন থেকে সংগ্রহ করে এ প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দুদক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির এ অভিযোগ ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর কমিশনের মাসিক সভায় উত্থাপিত হয়। অভিযোগ অনুসন্ধানে ২২ অক্টোবর দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধানকারী টিম গঠন করে কমিশন। অনুসন্ধান টিমের নেতৃত্বে রয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) জুলফিকার আলী। টিমের আরেক সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক (পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন) এস এম রফিকুল ইসলাম।