আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) জিএমসহ আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদক কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) কাছে সংশ্লিষ্টদের তলবের এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
দুদকের সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে তাদেরকে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
দুদকে তলব করা এই আট কর্মকর্তা হলেন, বিডিবিএলের প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) নুরুর রহমান কাদরী, ফরিদপুর শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) মো. ইউনুস আলী, প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চের এসপিও মো. ইমামুর রশিদ, মতিঝিল ব্রাঞ্চের এসপিও দীনেশ চন্দ্র সাহা, হেড অফিসের এজিএম (এসএমই ডিপার্টমেন্ট) ইঞ্জিনিয়ার এস এম সিরাজুল ইসলাম, হেড অফিসের সাবেক এসপিও (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্ট) মো. নজরুল ইসলাম, আগ্রাবাদ ব্রাঞ্চের ডিজিএম তপন কুমার রায় এবং ব্যাংকের সাবেক কমার্সিয়াল ব্যাংকিং কনসালটেন্ট মাহে আলম।
দুদক সূত্র জানায়, দেশের ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে আনন্দ শিপইয়ার্ড এর বিরুদ্ধে। জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া এ সব ঋণ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে এ সব জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদশনের রিপোর্টের পর কমিশন তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।