নেইমারের জোড়া গোলে সেমিতে বার্সা

 
কোপা দেল রে’র কোয়ার্টার ফাইনালে নেইমারের জোড়াগোলে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল বার্সেলোনা। বুধবার রাতে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে নিজেদের আরো এক ধাপ এগিয়ে নিল লুইস এনরিকের শিষ্যরা।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঘরের মাঠ ভিসেন্তে ক্যালদেরনের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের শুরুর প্রথম মিনিটে ফার্নান্দো তোরেসের গোলে এগিয়ে যায় অ্যাতলেটিকো। অবশ্য গোল পরিশোধের জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বার্সেলোনাকে। নয় মিনিটের মাথায় মেসি-সুয়ারেজের সহায়তায় দলের হয়ে প্রথম গোল করেন নেইমার। মেসির কাছ থেকে পাস পেয়ে নেইমারের দিকে বল বাড়িয়ে দেন সুয়ারেজ। বল পেয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান তিনি।
এরপর গোলে জন্য একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটের মাথায় মাসচেরানো নিজেদের ডি বক্সে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডর হুয়ানফ্রানকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আতলেতিকো। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আতলেতিকোর মিডফিল্ডার রাউল গার্সিয়া দলের দ্বিতীয় গোল করেন। তবে আট মিনিট পরে আত্মঘাতী গোল করে বার্সেলোনাকে সময়তায় ফেরান আতলেটিকোর গোয়াই মিরান্দা।
ম্যাচের ৪১ মিনিটের মাথায় কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দলের তৃতীয় আর নিজের দ্বিতীয় গোল করেন নেইমার।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আরো কোনো গোলে দেখা পায়নি কোনো দলই। সেখানে আরো বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে থাকে দুল দলই। বিরতির পরপরই লাল কার্ড দেখায় দ্বিতীয়ার্ধ অ্যাটলেটিকো নামল গাবিকে ছাড়াই। ফ্রি-কিক না পেয়ে আরদা তুরান রেগে বুট খুলে সহকারী রেফারিকে ছুড়ে মারায় হলুদ কার্ড পান। ৮৪ মিনিটে অ্যাটলেটিকো মিডফিল্ডার মারিও সুয়ারেজ দুটি হলুদ কার্ডের ফল হিসেবে দেখলেন লাল কার্ড। দিয়েগো সিমিওনের দল পরিণত হলো নয়জনে। ম্যাচে ১০টি হলুদ কার্ডের সাতটিই অ্যাটলেটিকোর। এর মধ্যে বার্সেলোনার মাচেরানো, দানি আলভেজ ও মেসি হলুদ কার্ড পেয়েছেন।
এর আগে প্রথম লেগে ১-০ গোল জয় করেছিল দলটি। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-২ গোলে এগিয়ে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা করে নিল বার্সেলোনা।