অপহরণের সাতদিন পর গত শুক্রবার গভীর রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গার পুলিশ পাড়া সোসাইটি রোড এলাকার একটি বাসা থেকে কলেজ ছাত্র রিয়াদ রহমান সৌরভ (১৬) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়। রিয়াদ বন্দর পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। গত ২৩ জানুয়ারি থেকে সে নিখোঁজ ছিল।
সৌরভ চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মচারি মো. মোস্তফার পুত্র। মধ্যম হালিশহর কলসী দিঘীরপাড় এলাকায় তাদের বাসা। জানা যায়, গত ২৩ জানুয়ারি নামাজ পড়তে বের হয়ে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাকে আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিতে থাকে। পরে কোথাও খোঁজ না পেয়ে ঐদিন সন্ধ্যায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর থেকে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে।
গত শুক্রবার রাতে সন্দেহজনকভাবে মো. আবুল কাশেমকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি মতে ওইদিন গভীর রাতে পতেঙ্গার পুলিশ পাড়া সোসাইটি রোড এলাকার একটি বন্ধ বাসা থেকে সৌরভের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার এসআই রনজিত রায় ইত্তেফাককে জানান, রাতে সন্দেহভাজন আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করার পর জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। চার জন মিলে টাকার বিনিময়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পরিকল্পিতভাবে রিয়াদকে খুন করা হয়েছে। কি কারণে কারা ভাড়াটিয়া খুনীদের মাধ্যমে রিয়াদকে খুন করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ কর্মকর্তা রনজিত জানান, খুনী আবুল কাশেম গার্মেন্টসের শ্রমিক।