দুই সন্তানের জননী স্ত্রী ছফিরা বেগম ওরফে ছফুরাকে (৩৫) হত্যার অভিযোগে স্বামী নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের নুরুল ইসলামকে(৪৫) মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায়ে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে দণ্ড কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
দীর্ঘ ১৫ বছর মামলা চলার পর নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলাও দায়রা জজ মো. আব্দুল হামিদ সোমবার এ রায় দেয়। তবে আসামি নুরুল ইসলাম ঘটনার পর থেকেই পলাতক।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম এবং ছফুরা বেগম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তাদের দুইটি সন্তান জন্ম নেয়। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্যকলহ শুরু হয়।
২০০০ সালের ২০ জুলাই রাত একটার দিকে স্ত্রী ছফুরাকে কেন্দুয়ার কালিহান গ্রামের আবুলের ঘরে সুমন নামের এক লোকের সাথে কথা বলতে দেখে সুফিয়াকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসে। পরে তাকে রিকশায় করে কিছু দূর নিয়ে এসে তার পরিহিত শাড়ী গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ঘটনার পরদিন ছফুরার বড় ভাই বাদী হয়ে নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০০৩ সালের ৩০ জানুয়ারি অভিযোগ পত্র আদালতে দাখিল করে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের সাক্ষ্য প্রমাণাদি গ্রহণ করে এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি এডভোকেট সুভাষ বণিক অজয় এবং আসামি পক্ষে ছিলেন এডভোকেট দিলোয়ারা বেগম।