সরবরাহকৃত আখের মূল্য না পাওয়ায় জয়পুরহাট চিনিকল এলাকার আখচাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গত জানুয়ারি পর্যন্ত এ মিলে আখচাষিদের পাওনা ছিল প্রায় ৮ কোটি টাকা। এ দিকে গত দুই মাড়াই মৌসুমে জয়পুরহাটে চিনিকল গুদামে চিনি মজুদ রয়েছে ৮ হাজার ৯২৭ টন।
১ লাখ টন আখ মাড়াই করে সাড়ে ৬ হাজার টন চিনি উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গত ১২ ডিসেম্বর ২০১৪-১৫ সালের মাড়াই মৌসুম শুরু হয়। এ পর্যন্ত ৫০ দিনে ৬৮ হাজার টন আখ মাড়াই করে চিনি উত্পাদন করেছে ৪ হাজার ৭৬৪ টন। মাড়াই মৌসুম চলবে আরো ১৫ দিন। এ দিকে, গত দুই মাড়াই মৌসুমে জয়পুরহাটে চিনিকল গুদামে চিনি মজুদ রয়েছে ৮ হাজার ৯২৭ টন। এর মূল্য ৩৩ কোটি ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া, চলতি মৌসুমের চিনিও মজুদ চলছে। এ অবস্থায় কৃষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাওনা নিয়ে বিপাকে পড়ছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ। ধলাহার ইউনিয়নের আখচাষি তোজাম্মেল হক জানান—তিনি আগে ২৫-৩০ বিঘা জমিতে আখ চাষ করতেন। এবার ১৫ বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন। এর পরও আখ সরবরাহ করে মিল থেকে তিনি পাওনা টাকা পাননি।
চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম জানান— বর্তমানে চিনির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ৩৭ টাকা তবুও চিনি বিক্রি হচ্ছে না। এ অবস্থায় কিছুটা হলেও অসুবিধার মধ্যে আছে চিনিকলটি। তবে অল্প দিনের মধ্যেই আখচাষিদের পাওনা পরিশোধ করা হবে এবং সামনের বছর থেকে আখের মূল্য প্রতি মনে আরো ১০ টাকা বাড়ানো হবে।