কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রোল বোমায় নিহত আসমা ও তার সন্তান শান্ত’র বাড়ী পলাশ উপজেলার বালুচর গ্রামে এখন শুধুই শোকের মাতম। পৈশাচিক ওই ঘটনায় তাদের মৃত্যর খবর পাওয়ার পরই আত্মীয়-স্বজনদের আহাজারিতে গোটা গ্রামের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। গোটা বালুচর হয়ে পড়েছে যেন এক শোকের গ্রাম। বুক চাপড়ে মাতম করছেন নিকটজনেরা। টিভিতে আসমা ও তার সন্তানের করুণ মৃত্যুর খবর শুনে শত শত মানুষ তাদের বাড়ীতে ভীড় জমাচ্ছে।
কিন্তু চৌদ্দগ্রামে পৌছানোর পর বাসে পৈশাচিক পেট্রোলবোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ছোট ছেলে শান্তর সঙ্গে মারা যান আসমাও। জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় তার অপর ছেলে মুন্না। ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যায় মুন্না। সম্বিত ফিরতেই সে ফোন করে তার বাবাকে জানায়, মা এবং ছোটভাই আর নেই! খবর শুনে উন্মাদের মতো হয়ে যান জসিম। তিনি রাতেই রওয়ানা দেন চৌদ্দগ্রামের উদ্দেশ্যে। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। আসমাদের বাড়ীতে শোকার্ত মানুষ ভীড় করে। রাত ৮ টায় এ রিপোর্ট লেখার পর্যন্ত লাশ নিয়ে বাড়ী ফেরেননি জসিম উদ্দিন।