টানা অবরোধ-হরতালের ফলে ফুলকপিসহ বিভিন্ন সবিজ গাইবান্ধা থেকে ঢাকা এবং অন্য জেলায় সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে সবজির দাম ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এ বছর ফুলকপির উত্পাদন বেশি হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে চাহিদা না থাকায় এখন ২ টাকা কেজি দরে ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে। এতে উত্পাদন খরচ তুলতে না পেরে চাষিরা জমিতেই নষ্ট করছে ফুলকপি। চাষীরা ধারদেনা ও ঋণ নিয়ে কপি আবাদ করে লোকসানের মুখে পড়েছেন। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আসন্ন ইরি-বোরো চাষ করতে গিয়েও তারা আরও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন বলে জানা গেছে।
ছাপড়হাটী ইউনিয়নের খামার গ্রামের ফুলকপি চাষী মোজাফ্ফর হোসেন ও মোসলেম আলী জানান, স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়িরা প্রতিমণ ফুলকপির দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরের বেশি দিতে চাচ্ছেন না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সত্যেন কুমার জানান, বাজারে ফুলকপির দাম কমে যাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে চলমান হরতাল-অবরোধে বাহিরের জেলাগুলোতে কপি সরবরাহ করতে না পারা। এছাড়া এ বছর সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে।