‘বৃহস্পতিবার ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি’

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধ ও হরতালে সহিংসতা ও পেট্রোল বোমা হামলায় মানুষ হত্যার প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি পালন করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছে শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৫ থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশব্যাপী শ্রমিক কর্মচারী  পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ নিজ নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ এবং দুপুর ১টায় ১ মিনিট সড়ক, নৌ ও রেলসহ সকল যানবাহনের হর্ন বাজিয়ে প্রতিবাদ ও ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট বাঁশি বাজাবেন।
আগামী শনিবার বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) অডিটোরিয়ামে সকল শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবি-মুক্তিযোদ্ধা-নারী যুব-ছাত্র-সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশা সংগঠনের নেতাদের জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে গণআন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বুধবার বিকালে  জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন পরিষদের আহবায়ক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এর আগে গত শুক্রবার ও মঙ্গলবারও পৃথক সমাবেশে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার কথা উল্লেখ করে শাজাহান খান বলেন, আন্দোলনের নামে নাশকতা ও পেট্রোল বোমা হামলা চালানোর কারণে তার (খালেদা জিয়া) কার্যালয়ের বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর উদার মনোভাবের কারণে আবার বিদ্যুত্ সংযোগ দেয়া হয়।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এক মাস ধরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। পেশাজীবীসহ বাংলাদেশের সকলকে নিয়ে এটা মোকাবেলা করা হবে। খালেদা জিয়া তার নাতনিদের পরীক্ষা দিতে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছেন। কিন্তু হরতাল-অবরোধের নামে নাশকতা চালিয়ে ১৫ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।