বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দারুণভাবে গতিশীল হওয়ার পাশাপাশি স্থিতিশীলতায় শুভসূচনা ঘটেছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে উচ্চ প্রতিযোগী শিল্প বিকশিত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে লন্ডনের একটি রেঁস্তরায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিগত ৫ বছরে ব্যাংকিং খাতের সামাজিক দায়ত্বিশীল অংশগ্রহণমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েছে ১০ গুণ। ব্যাংকগুলো ২০০৯ সালে যেখানে সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে ব্যয় করত ৫০ কোটি টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে ৫শ‘ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি ব্রিটেনের দ্য ব্যাংকার সাময়িকীর দেয়া এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সেরা গভর্নরের পুরস্কার নিতে ড. আতিউর লন্ডনে আসেন। এ উপলক্ষে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদের উদ্যোগে শুক্রবার এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে সামাজিক দায়বদ্ধতা, সবার অংশগ্রহণ, পরিবেশবান্ধব নীতি প্রনয়ণ, পাশাপাশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আতিউর রহমানের বিশেষ ভূমিকার জন্য এই পুরস্কার দেয়া হয়। তিনি শুক্রবার এ পদক গ্রহণ করেন।
ড. আতিউর জানান, লন্ডণ সফরে তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে হাউজ অব কমন্স ও হাউজ অব লর্ডসে দুটি আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে আলোচকরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিষয়ে প্রসংশা করেছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রেদীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।
ড. আতিউর রহমান আরো বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজের ধারণার বাইরে গিয়ে বাংরাদেশ ব্যাংক মানুষের মধ্যে আর্থিক সেবা দেবার চেষ্টা করেছে। আমরা ক্ষুদ্র ও মাজারি শিল্প খাতে, সবুজ অর্থনীতির খাতে এবং কৃষি খাতে আর্থিক সেবা ও ঋণ পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি।