‘২০ দলীয় জোটের দংশনে মানুষ অতিষ্ঠ’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, আজকে না কি তথাকথিত আন্দোলন সংগ্রাম করছে খালেদা জিয়া ও তার ২০ দলীয় জোট। এই  ২০ দলীয় জোটের দংশন ও বিষে  সারা দেশের মানুষ আজ অতিষ্ঠ। জনসম্পৃক্ততা বিহীন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য কোন রাজনীতি হতে পারে না। তিনি বলেন, বোমাবাজ সন্ত্রাসী ও মানুষ হত্যাকারীদের সমাজ রাজনীতিবিদ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে না। দেশের মানুষ এই সন্ত্রাস ও নাশকতার হাত থেকে মুক্তি পেতে চায়। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাস ও নাশকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।  
শনিবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ ও জেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন দীপু মনি।
বিশেষ অতিথি’র বক্তৃতায় খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম বলেছেন, সন্ত্রাসীদের সাথে আলোচনা, সমঝোতা ও কোন আপোস হতে পারে না। এসব সন্ত্রাস ও নাশকতা কঠোর হস্তে দমন ও নির্মল করতে হবে। তিনি বলেন, যেখানেই পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করা হবে সেখানেই খালেদা জিয়া হুকুমের আসামি হবে। সন্ত্রাস নাশকতা বন্ধ করে রাজনৈতিক চরিত্রে ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে ফিরে আসলে আলোচনা হলেও হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
স্থানীয় হাজী আব্দুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হাজী মো. সফিউল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, অ্যাডভোকেট ফজিলাতুল নেসা বাপ্পি এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন মঈন, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ সম্পাদক আব্দুল হান্নান রতন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক মো. আবু নাছের আহমেদ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে নব গঠিত জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। পরে রাতে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।