মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ৬২ রানের পরাজয় মেনে নিতে হলো জিম্বাবুয়েকে। দ্বিতীয় উইকেটে মাসাকাদজা ও চিবাবার ১০৫ রানের জুটি ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিলেও মিডল অর্ডার ব্যটসম্যানরা আসা যাওয়ায় ব্যস্ত ছিলেন। ফলে ১০ বল বাকী থাকতে ২৭৭ রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন অভিজ্ঞ হ্যামিলটন মাসাকাদজা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে চিবাবার ব্যাট থেকে। এছাড়া টেইলর ৪০ রান করে আউট হন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে ইমরান তাহির ৩ উইকেট পান। এছাড়া মরনে মরকেল ও ফিলান্ডার পান দুটি করে উইকেট।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে জিম্বাবুয়েকে বিশাল রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ডেভিড মিলার ও জেপি ডুমিনির পঞ্চম উইকেটের রেকর্ড ২৫৬ রানের পার্টনারশিপের সুবাদে ৩৩৯ রানের বড় সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা। ডি ভিলিয়ার্স ১৩৮ রান এবং ডুমিনি ১১৫ রান করে অপরাজিত।
চার উইকেট হারানোর পর মিলার আর ডুমিনির রেকর্ড পার্টনারশিপই খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলে প্রোটিয়াদের। এই জুটির সংগ্রহ ২৫৬ রান। যার মধ্যে শেষ ৮ ওভারে এসেছে ১২৫ রান। এর আগে পঞ্চম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি ছিলো ইংল্যান্ডের ইয়ন মরগান এবং রবি বোপারার (২২৬) দখলে।
মাত্র ২১ রানে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিলো ডি ভিলিয়ার্সের দল। তবে দ্রুত দুই উইকেটের পতনের পর ডি ভিলিয়ার্স ও প্লেসিস ৪৬ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়েন। কিন্তু ৮৩ রানের মধ্যে ডি ভিলিয়ার্স ও প্লেসিসের উইকেট হারিয়ে আবারো চাপে পড়েছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু সেখান থেকে শুরু করে অসাধারণ এক রেকর্ডের মাধ্যমে দলকে চালকের আসনে বসিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স ও ডুমিনি। জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে পানিয়াঙ্গারা দুইটি এবং চাতারা একটি উইকেট নিয়েছেন।
আসরের প্রথম দুই ম্যাচেও টসে জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিং করতে পাঠিয়ে ছিলেন শ্রীলংকা ও ইংল্যান্ডের অধিনায়করা। দুই খেলাতেই প্রতিপক্ষ ৩ শ’র বেশি রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছিলো। আর নিজেরা অল আউট হয়েছে ২৩০ এর ঘরে। অর্থাৎ টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় প্রথম দুই খেলায় বড় ব্যবধানেই হারতে হয়েছে।
এর আগে ওয়ানডে তে দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাত্র দুই বার হারাতে সক্ষম হয়েছে জিম্বাবুয়ে। তার মধ্যে একবার ছিলো ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে।