‌'কার্যালয়ে সন্ত্রাসী লুকিয়ে রেখেছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে'

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, বেগম জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে কোন সন্ত্রাসী-জঙ্গি কিংবা পেট্রোলবোমা নিক্ষেপকারী লুকিয়ে আছে কিনা তা যেন খতিয়ে দেখা হয়।
রবিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত হরতাল বিরোধী এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। 
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়া তার কার্যালয়ে অবস্থান করছেন প্রায় দেড় মাস ধরে। নিজের বাসায় না গিয়ে তিনি কার্যালয়কে বাসস্থান হিসেবেই ব্যবহার করছেন এবং ভিতরের রান্না করা খাবার খেয়ে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করে গত কয়েকদিন ধরে সেখানে বাইরে থেকে প্রায় পঞ্চাশ জনের খাবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখন জনগণের প্রশ্ন হচ্ছে সেখানে বেগম জিয়াসহ তার কর্মচারীর সংখ্যা দশ-বারোজন হবে। তাহলে এতো খাবার কার জন্য? তাহলে বেগম জিয়া কি সেখানে বিএনপি-জামায়াতের কোন সন্ত্রাসী কিংবা জঙ্গিকে আশ্রয় দিয়েছেন? যাদের জন্য নেয়া হচ্ছে এই খাবার। 
বিএনপি নেত্রীকে উদ্দেশ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্ব ভালবাসা দিবসে জনগণের প্রত্যাশা ছিল আপনার মনে মানুষের জন্য ভালোবাসা জাগ্রত হবে। কিন্তু আপনি আবারো হরতালের ডাক দিয়ে প্রমাণ করেছেন আপনার মনে জনগণের জন্য কোন মমত্ববোধ নেই। আপনার আছে জনগণের প্রতি হিংসা আর ক্ষমতায় যাওয়ার লোভ। 
আওয়ামীলীগের এ নেতা আরো বলেন, বেগম জিয়ার ডাকা হরতাল দেশের জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। হরতালকে জনগণ বৃদ্ধাঙ্গুগুলি প্রদর্শন করে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। এ কারণে জনগণকে ধন্যবাদ। জনগণ বিএনপির আহূত হরতাল-অবরোধকে এখন হাস্যকর 
বস্তুতে পরিণত করেছে। বেগম জিয়ার হরতাল-অবরোধ মূলত মানুষ হত্যার কর্মসূচি। 
আওয়ামী ওলামা লীগ আয়োজিত অপর এক সমাবেশে ড.হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি মিলে কখনোই নাগরিক সমাজ হতে পারে না। নাগরিক সমাজ হবে সর্বস্তরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক, দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ। যারা আজ বেগম জিয়া ও বিএনপির বিচার দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছে।