নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ওপেনার হিসাবে ওয়ার্ডলর বল ফেস করতে আসেন ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম এবং মাটিন গুপতিল। খেলা শুরুর চতুর্থ বলে একটি চার হাকিয়ে রানের খাতা খোলেন গুপতিল। দ্বিতীয় ওভারে আকেটি চার। তৃতীয় ওভারে দুটি চার হাঁকান গুপতিল। রান ভাললোই এগুচ্ছিল। কিন্তু মারমুখি ব্যাটিং ধরে রাখতে পারলেন না বেশিক্ষণ। ২.৪ ওভারে ওয়ার্ডলর বলে টেইলর ক্রসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ব্যক্তিগত ১৭ রান নিয়ে গুপতিল মাঠ ছাড়েন এভাবে। মাঠে তার জায়গা নিতে আসেন কেইন উইলিয়ামসন। ৭ম ওভারে উইলিয়ামসন প্রথম ও তৃতীয় বলে দুটি চার উপহার দেন দলকে। রান ভালোই এগুচ্ছিল। কিন্তু ৬.৫ ওভারে আবারো ওয়ার্ডলর বলে তার ক্যাচটি লুফে নেন ক্রস। এবারে ব্যাট করতে নামেন রস টেইলর।
১০.৩ ওভারে রস টেইলর মাজিদ হকের বলে জোরে ব্যাট হাকান। কিন্তু বাউন্ডারির কাছে ক্রস টেইলরের হাতে সেটি ধরা পড়ে। ২২ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন রস। তার জায়গা নিতে মাঠে নামেন গ্র্যান্ট এলিয়ট। ১৪ ও ১৫তম ওভারে উইলিয়ামসন পরপর চারের মার উপহার দেন দলকে। ১৬তম ওভারে এলিয়ট চারের খাতা খোলেন।
১৭ ওভারের শেষে ডেভির বলে উইলিয়ামসন ৩৮ রানে মাঠ ছাড়েন। মাঠে নামেন কোরি অ্যান্ডারসন। ২১ তম ওভারের শেষ বলে ওয়ার্ডলর বলে উইকেটরক্ষক ক্রসের হাতে ক্যাচ হয়ে মাঠের বাইরে যান এলিয়ট। তার ব্যক্তিগত রান ২৯ (৩১)। মাঠে নামেন লিউক রনচি।
২৪তম ওভারের প্রথম বলে স্ট্রেইট চার হাকান অ্যান্ডারসন। কিন্তু দ্বিতীয় বলটি মারতে গিয়ে উচু করে তুলে দেন। ডেভির বলে ক্যাচটি ধরেন ওয়ার্ডল। ব্যক্তিগত ১১ রান নিয়ে ঘরে ফেরেন কোরি অ্যান্ডারসন। একই ওভারের চতুর্থ বলে বামদিকে উচু করে একটি ক্যাচ তুলে দেন লিউক। গার্ডিনারের হাতে গিয়ে পড়ে সেটি। কোরির জায়গায় মাঠে নামেন ড্যানিয়েল ভেট্টরি এবং লিউকের জায়গায় নামেন অ্যাডাম মিলনে।
২৫ ওভারের চতুর্থ বলে দলের রান ছিল ১৪২। কোনরকম টেনশন ছাড়া চতুর্থ বলে ভেট্টরি একটি চার হাকিয়ে দলকে জিতিয়ে নিয়ে মাঠ থেকে বের হয়ে আসেন। অর্থাৱ ২৪.৫ ওভারে দলীয় ১৪৬ রান করে ৪ উইকেট এবং ১৫১ বল হাতে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ডানেডিনের মাঠে ২০১৫ বিশ্বকাপের ৬ষ্ঠ ম্যাচে তাদের জয় অর্জন করে নিউজিল্যান্ড।