পদ্মায় লঞ্চডুবি: নিহত ৬৯, উদ্ধার কাজ সমাপ্ত

 
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে মাঝপদ্মায় লঞ্চডুবির ঘটনায় উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সেফ ডুবুরি দল ৭২টি মৃতদেহ উদ্ধারের দাবি করলেও জেলা প্রশাসক এই সংখ্যা ৬৯ বলে ঘোষণা করেছেন। সোমবার সকালে এই সংক্রান্ত সম্মেলন করা হয়।
পাটুরিয়া ঘাটে জেলা প্রশাসনের অস্থায়ী ম্যানেজমেন্ট সেলে সংবাদ সম্মেলনে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌসি জানান, সোমবার রাত পৌনে তিনটার দিকে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়। লঞ্চ ও নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে ৬৯টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। ৬৫টি মৃতদেহ উদ্ধার হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি চারটি মৃতদেহের পরিচয় মেলেনি। নিহতদের মধ্যে ২৩ নারী, ১৫ শিশু ও ৩১ জন পুরুষ রয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে ১৪ জন।
তিনি আরো জানান, সকাল ১০টার দিকে উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে নদীতে কোনো মৃতদেহ ভেসে উঠলে তা উদ্ধারের জন্য আরো কয়েকদিন কিছু উদ্ধার কর্মী কাজ করবে। বিকেলে মধ্যে শনাক্ত না হলে অজ্ঞাতপরিচয় চারটি মৃতদেহ দুইদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হবে। ঐ দুইদিনেও শনাক্ত না হলে মৃতদেহগুলো আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হবে।
এদিকে, কার্গোর ধাক্কায় ডুবে যাওয়ার ১৪ ঘণ্টা পর রাত পৌনে তিনটার দিকে লঞ্চটিকে টেনে তীরে তুলে আনে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম। জানা যায়, ঐ লঞ্চে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী কমফোর্ট লাইন ও রাজধানী এক্সপ্রেস নামে দুই বাসের যাত্রী ছিল।
এর আগে রবিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া যাওয়ার পথে সারবোঝাই কার্গোর ধাক্কায় ডুবে যায় এমভি মোস্তফা।
পাটুরিয়া লঞ্চঘাট শাখার সুপারভাইজার জুয়েল রানা জানান, লঞ্চটিতে দেড় শতাধিক যাত্রী ছিল।