সিলেটে পাথর কোয়ারিতে মাটি ধসে চার শ্রমিক নিহত

দেশের পাথর কোয়ারিগুলোতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই শ্রমিকরা পাথর উত্তোলন করছে। পাথর কোয়ারিতে কয়েকদিন পরপরই ঘটছে দুর্ঘটনা। হতাহত হচ্ছে শ্রমিকরা। মাটি চাপা পড়ে নিহতদের লাশও অনেক সময় উত্তোলন করা সম্ভব হয় না।

সর্বশেষ গত রবিবার রাতে জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে দেশের বৃহত্ পাথর কোয়ারিতে মাটি চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন চার শ্রমিক। তারা হলেন মঈন (৪০), দানা মিয়া (৪২), দেলোয়ার (২৪) ও এমদাদুল হক সেলিম (৪২)। নিহতদের সকলেই উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, পাথর উত্তোলনে তারা একটি গর্তের ভেতর প্রবেশ করলে হঠাত্ পাড়ের মাটিতে ধস নামে। মাটি চাপা পড়ে চার শ্রমিক। রবিবার রাতে যখন ওই দুর্ঘটনা ঘটে তখন কোয়ারিতে তেমন একটা লোকজন ছিল না। তাই শ্রমিকদের মাটি চাপা পড়ার বিষয়টি জানাজানি হয়নি। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার লোকজন সেখানে ছুটে যান।

এরপর গভীর রাত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। কোমপানীগঞ্জ থানার ওসি দেলওয়ার হোসেন গতকাল সোমবার দুপুরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ধরনের ঘটনা শুধু ভোলাগঞ্জেই নয় সিলেটের জাফলংসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার পাথর কোয়ারিতে ঘটছে। তবে ভোলাগঞ্জে কোয়ারিতে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।