মির্জা আব্বাসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সমবায় সমিতির প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় তৎকালীন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
পরোয়না প্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) বিজন কান্তি সরকার, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কোষাধ্যক্ষ মো. মনছুর আলম ও হিসাব সহকারী মতিয়ার রহমান।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ আদালতে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার ঢাকার জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ আদালতে মামলাটির অভিযোগ আমলে নেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মির্জা আব্বাসসহ অন্যরা আদালতে হাজির না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইমরুল কায়েস অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে এ পরোয়ান জারি করেন। একইসঙ্গে আগামি ২৫ মার্চ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্তে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৬ সালে আলমগীর কবির গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডকে বাজার মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে প্লট বরাদ্দ দেন। এতে সরকারের ১৮ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের সরকারি সাত একর সম্পত্তি মাত্র তিন কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বরাদ্দ দিয়ে সরকারের ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকা ক্ষতি করে আসামিরা আত্মসাত করেন। গত বছরের ৬ মার্চ রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করে দুদক।