হারতে হারতে জয় পেল আফগানরা

 
স্কটিশদের দেয়া ২১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে হারতে হারতে অবশেষে ১ উইকেটে জয় পেয়েছে আফগানরা। আইসিসির সহযোগী আফগানদের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে এটাই প্রথম জয়।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর রাত চারটায় নিউজিল্যান্ডের ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে খেলা শুরু হয়। এ আসরের এটি ১৭তম ম্যাচ। 
৯৭ রানে ৭ উইকেট। এমন বিপর্য়য়ের মুখে আফগান দলের মান বাঁচাতে হাল ধরেন সামিউল্লাহ। মান নয় শেষ পর্যন্ত তার ১৪৭ বলে ৯৬ রানের সুবাবে জয়ের নোঙ্গরে পৌঁছে যায় দলটি। 
৪২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর দলীয় ৮৫ রানে আফগানরা হারায় ৩ উইকেট। এরপর ১২ রান যোগ করে হারায় আরো ৪ উইকেট।  ৪৯.৩ ওভার খেলে  ৯ উইকেট হারিয়ে এই জয় তুলে নেয় তারা। দুই ওপেনার  মঙ্গল ও আসগার দুইজনই শিকার হন ইভান্সের। দলীয় ৪২ ও ব্যক্তিগত ৭ রানে মঙ্গল আউট হওয়ার পর মাত্র ৪ রান যোগ করেই সাজ ঘরে ফেরেন আসগার। জাভেদ ৫১ রান করে আউট হন। এরপর আর কেউ দাঁড়াতেই পারেনি। দলীয় ৮৫ রানের সাথে ১২ রান যোগ করে (দলীয় ৯৭ রানে) হারায় তারা ৪ উইকেট। মোহাম্মদ নবী ১, আফসার ০, নাজিবুল্লাহ জাদরান ৪, গুলবাদিন নবী ০ রানে আউট হন।  
এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্কটিশরা। কিন্তু নবম উইকেটে ৬২ রানের জুটির সুবাদে ২০০ রানের মাইল ফলক পূর্ণ করে তারা।
৫০ ওভার খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ ২১০ রান। এটি বিশ্বকাপে স্কটিশদের সর্বাধিক রানের রেকর্ড। এরআগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তারা করেছিল ১৮৬ রান।
৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে যখন বিপদে স্কটিশরা তখন চতুর্থ উইকেটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেন স্কট অধিনায়ক মমসেন ও মাচান। এই জুটি থেকে আসে ৫৩ রান।  
কিন্তু দলীয় ৯৩ ও ৯৫  রানে এই দুজন সাজ ঘরে ফেরেন। মাচান ৩১, মমসেন ২৩ রানে আউট হন। ষষ্ঠ উইকেটে ক্রুস ও ডাভি যোগ করেন ৩৭ রান। ব্যক্তিগত ১৫ ও দলীয় ১৩২ রানে ক্রুস আউট হন। দুই রান যোগ হওয়ার পরই আউট হন ডাভি। বেরিংটন ব্যক্তিগত ২৫ ও দলীয় ১৪৪ রানে দৌলত জাদরানের  শিকারে পরিণত হন।
৮ উইকেটে যখন ১৪৪ রান তখন দেয়াল হয়ে দাঁড়ান  হক ও ইভান্স।  এই জুটি থেকে আসে ৬২ রান। হক ৩১ ও ইভান্স ২৮ রানে সপুরের শিকার হন।
এরআগে ইনিংসের শুরুতে আফগান পেসার দৌলত জাদরানের বলে কোনো রান না করে দলীয় ৭ রানে  সাজঘরে ফেরেন ম্যাকলউড। জাদরানের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন কোয়েটজার। তিনি  ব্যক্তিগত ২৫ ও দলীয় ৪০ রানে আউট হন।  
সপুর জাদরান ১০ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। দৌলত জাদরান ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী, হামিদ হাসান এবং গুলবদন নবী নিয়েছেন একটি করে উইকেট।