গ্রুপ শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ছাপিয়ে শনিবার দুই প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ম্যাচকে দেখা যেতে পারে ফাইনালের ড্রেস হিসাবে। কন্ডিশন আর দু’দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় এমনটা ভাবাটা মোটেই অমূলক নয়। অকল্যান্ডে বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচ দিয়েই মাঠে ফিরছেন অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। একাদশে তাকে জায়গা দিতে দ্বাদশ ব্যক্তির ভূমিকা নিতে হচ্ছে আগের ম্যাচের অধিনায়ক জর্জ বেইলিকে।
মাইকেল ক্লার্ক শুক্রবার নিজেই জানালেন ‘আমার চোট নিয়ে কথা বলতে বলতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পরেছে বোধহয়। তবে এই মুহূর্তে আমার সব কিছু ঠিক আছে। গত কিছুদিন যেভাবে পরিশ্রম করেছি সেটা আমাকে চোট কাটিয়ে মাঠে শতভাগ ঢেলে দিতে তৈরি করেছে। আমি নিশ্চিত আগামীকাল মাঠে আমি সব কিছু ঠিকভাবেই করতে পারবো।’
২৩ বছর পর আবারো যৌথভাবে বিশ্বকাপের মত বড় আসর আয়োজন করছে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্ট শুরুর আগ থেকেই ফাইনালে ওঠার দৌড়ে ক্রিকেট সমালোচক আর সাবেকরা এগিয়ে রাখছিলেন এই দু’দলকেই। তবে একই গ্রুপে পড়ে যাওয়ায় ফাইনালের আগেই দেখা হয়ে যাচ্ছে এই দুই আয়োজকের। তবে সাম্প্রাতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দারুণ এক জয় দিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করেছে অজিরা। দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টির কারণে নিজ মাটিতে বাংলাদেশের সাথে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ফলে তাদের সংগ্রহে রয়েছে ২ খেলায় ৩ পয়েন্ট। তাই গ্রুপের বর্তমান অবস্থা বিচারে আজকের ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ অজিদের কাছে।
কোয়ার্টার ফাইনালের পথ সুগম করতে এই ম্যাচটি জিততে চায় স্বাগতিকরা বলে জানালেন দলের কোচ ড্যারেন লেহম্যান, ‘এই ম্যাচটি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ। কারণ এই দু’দলকে নিয়ে অনেক বেশি কথা হচ্ছে। এমনকি এই দু’দলকে অনেকেই ফাইনালেও দেখে ফেলেছে। তবে এসব নিয়ে আমরা খুব বেশি চিন্তিত নই। আমাদের লক্ষ্য গ্রুপ পর্বের ম্যাচ নিয়ে। শেষ আটের টিকিট পেতে এ ম্যাচে জয়টা অনেক বেশি প্রয়োজন। সেই সাথে বড় ম্যাচে নিজেদের আরও একবার ঝালিয়ে নিতে চাই।’
অজিদের তুলনায় অনেকটা ভালো অবস্থানে নিউজিল্যান্ড। নিজেদের তিন খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে তারা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাকক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অসিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে।
অজিদের তুলনায় অনেকটা ভালো অবস্থানে নিউজিল্যান্ড। নিজেদের তিন খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে তারা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাকক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অসিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে।