জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারক পরিবর্তন চেয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দায়ের করা রিভিশন আবেদন বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসবে। বিচারপতি মো. রেজাউল হক এবং বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির দিন ধার্যের জন্য আবেদন দু’টি উত্থাপন করেন খালেদার আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান প্রমুখ।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জামাদারের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারি মাসে অনাস্থা দেন খালেদা জিয়া। ওই অনাস্থার আবেদন খারিজ করে দিয়ে বাদির সাক্ষ্য নেয়া হয়। এরপর খালেদা জিয়া গত ২৮ জানুয়ারি আদালতের বিচারক পরিবর্তনের জন্য হাইকোর্টে পৃথক দু’টি রিভিশন আবেদন করেন। ওই আবেদন বিচারাধীন থাকাবস্থায় নিম্ন আদালতে হাজির না হওয়ায় ২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার। আগামী ৪ মার্চ এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।
এদিকে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতির মামলার বৈধতা নিয়ে জারিকৃত রুল শুনানির জন্য মঙ্গলবারের হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসবে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এ দিন ধার্য করেন। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করে দুদক।