জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার আদালত পরিবর্তন চেয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার করা দুটি আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ১২ মার্চ আবেদন দুটি শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের ডিভিশণ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। আবেদন দুটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভূক্ত ছিলো।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এ অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট মামলার বিচার চলছে। এ বিচার চলাকালে ওই আদালতের প্রতি গত জানুয়ারি মাসে অনাস্থা দেন বিএনপি চেয়ারপার্সন।
এরপর ২৮ জানুয়ারি আদালত পরিবর্তনের জন্য হাইকোর্টে দুটি আবেদন দাখিল করেন তিনি।
ওই আদালত পরিবর্তনের আবেদন বিচারাধীন থাকাবস্থায় ২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে বিশেষ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার।
পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবেদন দুটি শুনানির জন্য কার্যতালিকার ১৬ ও ১৭ নম্বরে অন্তর্ভূক্ত হয়।
একইসঙ্গে পরোয়ানা স্থগিত চেয়ে পৃথক দুটি সম্পূরক আবেদনও দাখিল করেন আইনজীবীরা। কিন্তু এসব আবেদনের শুনানি না হওয়ায় ১২ মার্চ দিন ধার্য করে দেয় আদালত।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির ও দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা বাতিল প্রশ্নে জারিকৃত রুলের শুনানি হাইকোর্টে শেষ হয়েছে।
বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ১০ মার্চ এ বিষয়ে রায়ের জন্য দিন ধার্য রেখেছেন।
দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। তবে খালেদা জিয়ার পক্ষে কোন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেননি।
গত ২ মার্চ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করে আদালত।
২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করে দুদক। পরে মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করে।