আদালতে উপস্থিত না থাকার ছুতা মিলাদের আয়োজন

দুর্নীতি মামলায় আদালতে উপস্থিত না থাকার জন্যই খালেদা জিয়া তার কার্যালয়ে হাজিরার দিন মিলাদের আয়োজন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোকোর মৃত্যুর পরে এতদিন গত হলো কিন্তু কার্যালয়ে কোন মিলাদ কিংবা দোয়া-মাহফিল আয়োজন করেননি বেগম জিয়া। বুধবার হঠাৎ করে সেখানে কেন মিলাদ  আয়োজন করলেন? প্রকৃতপক্ষে যেদিন বেগম জিয়ার আদালতে হাজিরা থাকে ওইদিন বিএনপি হরতাল ডাকেন অথবা দেশে কোন সহিংসতা চালানোর চেষ্টা করে। গতকাল কার্যালয়ে মিলাদের আয়োজন তার আদালতে উপস্থিত না হওয়ার নতুন ছুতা।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের এ নেতা। শুধু দেশের জনগণ নয় বিদেশিরাও খালেদা জিয়াকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের অনুরোধ করছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, গত পরশু বেগম জিয়ার সাথে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত দেখা করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আন্দোলনের নামে মানুষ পোড়ানোর রাজনীতিকে তারা সমর্থন করেন না। বিএনপিকে এগুলো থেকে বের হয়ে আসারও আহ্বান জানান তারা। কিন্তু বেগম জিয়া এ আহ্বানে কোন কর্ণপাত করেননি। প্রতিদিনই বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী-জঙ্গিরা নিরীহ মানুষের ওপরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে।
বেগম জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তের কারণেই বিএনপির এই করুণ পরিণতি।বেগম জিয়া এখন জঙ্গি সংগঠনের নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আজ থেকে ২০ বছর পরে যখন ইতিহাস লেখা হবে তখন জঙ্গি নেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার নাম থাকবে।