ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) কিছুটা কমেছে। জানুয়ারি শেষে তফসিলি ব্যাংকগুলোর গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। ডিসেম্বরে স্প্রেড ছিল ৫ দশমিক ২১ শতাংশীয় পয়েন্ট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী ব্যাংকগুলোর গড় স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্টে রাখা কথা। তবে এ সময়ে দেশে কার্যরত ৫৬টি ব্যাংকের মধ্যে ২৭টি ব্যাংক এ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সে নির্দেশনা অমান্য করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জানুয়ারি শেষে আমানতের গড় সুদহার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা এর আগের মাস ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।
আলোচ্য সময়ে ঋণের গড় সুদহার হয়েছে ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ। যা আগের মাসে ছিল ১২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এতে স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের স্প্রেড আবারও কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৮ শতাংশীয় পয়েন্ট। এছাড়া, বেসরকারি ও বিদেশি মালিকানার আরও ২৬টি ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৫ শতাংশীয় পয়েন্টর উপরে রয়েছে।
বেসরকারি ব্যাংকগুলোর ঋণে গড় সুদ হার কমে ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ হয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ১২ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
আর আমানতের গড় সুদহার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে বেশি।
এ ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৯ দশমিক ১০ শতাংশীয় পয়েন্ট। এর পরে ডাচ-বাংলার ব্যাংকে ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং ওয়ান ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৬ দশমিক ৭২ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এছাড়া এবি, দি সিটি, আইএফআইসি, পূবালী, উত্তরা, ইস্টার্ন, এনসিসি, প্রাইম, ঢাকা, স্যোসাল ইসলামী, এক্সিম, প্রিমিয়ার, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট, যমুনা, মিডল্যান্ড, ইউনিয়ন এবং মধুমতি ব্যাংকের স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি।