রাজশাহীতে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার ভোর রাতে রাজশাহীর কাপাসিয়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত নুরুল ইসলাম মতিহার থানার রনহাট কবিরাজপাড়ার মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। এসময় জামায়াত-শিবিরের হামলায় পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই কনস্টেবলের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
মতিহার থানার ওসি আব্দুর রউফ জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নাশকতার সাত মামলার আসামি জামায়াত নেতা নুরুল ইসলামকে শুক্রবার আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জামায়াতের অস্ত্রের সন্ধান এবং সহযোগীদের ধরিয়ে দিতে রাজি হন। পরে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে তাকে নিয়ে পুলিশ কাপাশিয়ায় অভিযান চালাত যায়। অভিযানের সময় ভোরের দিকে সহযোগীরা নুরুল ইসলামকে ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশের গাড়িতে হামলা চালায়। এসময় পুলিশের সাথে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের গুলিবিনময় ও সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে নুরুল ইসলাম গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টার সময় বাম পায়ের হাটুর নিচে গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহত নুরুল ইসলামকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রিত রেটিনা কোচিং থেকে ১৩ শিবিরকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার রাতে মহানগর ডিবি এসি ইফতেখায়ের আলম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেফতারের সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়। পরে বিশষে ক্ষমতা আইনের তাদের আটকাদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে ফেরি করে ফেনসিডিল বিক্রির সময় সোমা আকতার (২০) নামের এক তরুণীকে পুলিশ আটক করেছে। শুক্রবার রাতে নগরীর সরকারি পিএন গার্লস স্কুলের সামনে থেকে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে। তিনি নগরীর শেখেরচক বিহারীবাগানের জনৈক হারুন শেখের মেয়ে।
বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, সোমা মাদকসেবীদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে ভ্যানিটি ব্যাগে করে ফেনসিডিল পৌঁছে দিতো। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।