ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্ক বলেছেন, দেশটির পূর্বাঞ্চলে কিয়েভ ও রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রায় এক মাস আগে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৬৪ সরকারি সেনা নিহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সৈন্য ও রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহীদের মধ্যে অস্ত্রবিরতি ব্যাপকভাবে কার্যকর হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া দু’পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে বেলারুশের রাজধানীতে ইউরোপের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সমর্থনে স্বাক্ষরিত অস্ত্রবিরতি লংঘনের অভিযোগ করেছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে পোরোশেঙ্ক বলেন, ‘গত ১৫ ফেব্রুয়ারি অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৪ সরকারি সৈন্য নিহত হয়েছে।’
তিনি বলেন, প্রায় ১১ মাস আগে দেশের পূর্বাঞ্চলে রক্তক্ষয়ী রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহ শুরুর পর ইউক্রেনের মোট ১ হাজার ৫৪৯ সৈন্য নিহত হয়েছে।
ইউক্রেনে রাশিয়াপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিক্তর ইয়ানুকোভিচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর গত ফেব্রুয়ারিতে গণআন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর গত এপ্রিলে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দোনেতস্ক ও লুহানস্কতে রাশিয়াপন্থী বিদ্রোহ শুরু হয়। এর কয়েক সপ্তাহ আগে এক গণভোটের মাধ্যমে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রুশ ফেডারেশনে যুক্ত হয়।
ইউক্রেন সরকার ও পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ১শ’র বেশি লোক নিহত হয়েছে।