কয়রায় 'বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু' নিহত


খুলনার কয়রায় পুলিশের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' হাসান আলী (৩০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোররাতে সুন্দরবনের হংসরাজ চর এলাকায় এই 'বন্দুকযুদ্ধে'র ঘটনা ঘটে।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি বিদেশি বন্দুক ৩টি পাইপগান ১০ রাউন্ড কার্টুজ ও ৬টি খোসা উদ্ধার করে।
পুলিশের দাবি, নিহত হাসান সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু রাঙ্গা বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন।
তিনি কয়রা সদর ইউনিয়নের ৪নং কয়রা গ্রামের হালিম সানার ছেলে।
পুলিশ জানায়, বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়রা থানা পুলিশ ও শ্যামনগর থানা পুলিশ শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের গাবুরা গ্রামের গাইনবাড়ী এলাকা থেকে তাকে আটক করে। পরে তাকে কয়রা থানায় নিয়ে এসে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার ও তার সহযোগীদের সম্পর্কে বিশেষ তথ্য পায় পুলিশ। এরপর কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ হরেন্দ্রনাথ সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে সুন্দরবনের হংসরাজ এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের জন্য অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যু হাসানের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এ সময় পুলিশও অত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে হাসান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং  বনদস্যুদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে কয়রা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ সময় কয়রা থানার এ এস আই মিঠুন,পুলিশ সদস্য মিজান ও আবুল আহত হয়।
কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ হরেন্দ্রনাথ সরকার জানান, নিহত হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজীসহ অর্ধডজন মামলা রয়েছে।