সংলাপ চাইলে পরিবেশ সৃষ্টি করুন

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিএনপি নেত্রীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, সংলাপ চাইলে মানুষ হত্যাসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে পরিবেশ সৃষ্টি করুন। কারণ সন্ত্রাসীদের সাথে পৃথিবীর কোন দেশে সংলাপ হয় না। বাংলাদেশেও হবে না। সন্ত্রাস বন্ধ করলে রাজনীতি কলঙ্কমুক্ত হবে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল শুক্রবার খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যের জবাব দিতে আওয়ামী লীগ’র পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, সন্ত্রাসী খুনিদের সাথে আলোচনার কোন সুযোগ নাই। আগামী নির্বাচন সঠিক সময়েই হবে। খালেদা জিয়াকে ওই নির্বাচনের প্রস্তুতিগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যেমন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন হয়েছে ঠিক তেমনিভাবে খালেদা জিয়া অংশগ্রহণ না করলেও আগামী নির্বাচন সঠিক সময়েই হবে।
নির্বাচিত সরকার ও জনগণকে জিম্মি করে কোন দাবি আদায় করা যাবে না।
সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করলে তারা আরো দ্বিগুণ গতিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে। এখন একমাত্র পথ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা। পৃথিবীর কোথাও সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেয় না। বাংলাদেশও দিবেনা। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।
আইএস, তালেবান, আলকায়েদা এসব জঙ্গি সংগঠনগুলোর পক্ষের শক্তি হলেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। তিনি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চান। বাংলাদেশকে পোড়া মাটির দেশের পরিণত করাই তার লক্ষ্য। আইএস’র মত পরিস্থিতি বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে চায় বিএনপি-জামায়াত।
দুই নেত্রীকে এক পাল্লায় মাপার সুশীল সমাজের ভূমিকা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুশীল পদবীটা তাদের কে দিয়েছে। তারা নিজেরাই নিজেদেরকে সুশীল বলছে। এটা ‘সেলফ সাইটেট'।
খালেদা জিয়া গত দুই মাসের অধিক সময় ধরে সন্ত্রাসী-জঙ্গিবাদি কর্মকাণ্ড চালিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছেন। তার এই কুৎসিৎ চেহারা কখনো আড়াল করতে পারবেন না।
সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ. ডা. দিপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সুজীত রায় নন্দি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।