কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আনসার-ডাকাতদের মধ্যে ‘বন্দুক যুদ্ধের’ ঘটনায় এক ডাকাত মারা গেছে। এসময় আনসারসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়। রবিবার বিকেল দুইটার দিকে উপজেলার হ্নীলা নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এ ঘটনা ঘটে।
নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ইনচার্জ জালাল উদ্দিন বলেন, ডাকাত দলের সদস্য মো. ছাদেক সকালে রোহিঙ্গা শিবিরের এক শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়। ওই সময় যুবতীর মা বাধা প্রদানের চেষ্টা করলে তাকে ছুরিকাঘাত করে জখম করে পালিয়ে যায়। আর্মড আনসার বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে ব্যারাকে নিয়ে আসে। অসুস্থতার ভান ধরলে চিকিত্সা কেন্দ্রে নেওয়ার পথে ১০-১২ জনের ডাকাতদল গুলিবর্ষণ করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে নেয়। খবর পেয়ে আরও কয়েকজন আনসার সদস্য এগিয়ে আসলে ডাকাতরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে আনসার সদস্যরা ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এসময় আহত হন হরিপদক দাশ (৩২), মো. মোশারফ হোসেন (৩৮) আনসার সদস্য ও ডাকাত দলের সদস্য মো. রফিক (৩০) এবং আবদুল হাফেজ (৩৮)।
রোহিঙ্গা শিবিরের ইনর্চাজ আরও বলেন, গুলিবিদ্ধ দুই আনসার হরিপদক দাশ, মো. মোশারফ হোসেন ও ডাকাত আবদুল হাফেজকে পুলিশ পাহারায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় আবদুল হাফেজ মারা যায়।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান খন্দকার জানান, এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়া চলছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহত ডাকাত আবদুল হাফেজের বিরুদ্ধে থানায় নারী নিযাতন, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।