মঙ্গলবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মদিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া আসবেন।
রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সফরের কথা জানিয়েছেন গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার ০২ এস এম খুরশিদ-উল আলম স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের কথা জানা গেছে।
চিঠিতে জানা গেছে, ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে তিনি ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন । এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে অনার গার্ড প্রদান করবেন। বাজানো হবে বিউগল।
বেলা পৌনে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের পাবলিক প্লাজায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসন আয়োজিত শিশু সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী দর্শক সারিতে বসে শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন। এসব অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বই মেলার উদ্বোধন করবেন।
দুপুরে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ার বঙ্গবন্ধু ভবনে নামাজ আদায় করবেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর বেলা ৩টার দিকে তিনি টুঙ্গীপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ-টুিঙ্গপাড়া সড়কে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। বঙ্গবন্ধুর জম্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় সাজসাজ রব বিরাজ করছে।
গোপালগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার বোস জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন পালন উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। ফুল বাগানসহ বিভিন্ন স্থানে নতুনত্ব আনা হয়েছে।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ কারণে টুঙ্গিপাড়াকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।