শ্রীলংকা ওয়ানডে ক্রিকেটে জয়ের বিচারে এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের খেলায় পরিসংখ্যানের খাতায় পিছিয়ে আছে। কেননা দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে আজ বুধবারের খেলাটির আগ পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হলেও দু’বার জিতেছে বর্তমান রানার্স আপদের বিরুদ্ধে। লংকানরা জিতেছে একবার। অপর ম্যাচটি টাই হয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে দু’ দল এ পর্যন্ত ৫৯টি ম্যাচ খেলেছে। এতে শ্রীলঙ্কা ২৯ বার ও দক্ষিণ আফ্রিকা ২৮বার জয়ী হয়। আজকের ম্যাচটির মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল।
অপরদিকে বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলংকার দ্বৈরথ শুরু হয় ১৯৯২ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আসর দিয়ে। নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে ওই ম্যাচটি তিন উইকেটে জিতেছিল লংকানরা। সেবারের জয়ে নায়ক ছিলেন অর্জুনা রানাতুঙ্গা। ব্যাট হাতে ৬৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
এরপর ১৯৯৯ সালের সপ্তম বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার দেখা হয় শ্রীলংকা ও দক্ষিণ আফ্রিকার। ইংল্যান্ডের নর্দাম্পটনে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৮৯ রানে জিতে প্রোটিয়ারা। ব্যাট হাতে অপরাজিত ৫২ ও বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে দলের জয়ে মুখ্য ভূমিকা রেখে ম্যাচের সেরা হন অলরাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনার।
পরের আসরে সপ্তম বিশ্বকাপে আবারো দেখা হয় শ্রীলংকা ও দক্ষিণ আফ্রিকার। কিন্তু ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে অনুষ্ঠিত খেলাটিতে কেউই জিততে পারেনি। বৃষ্টি আইনে ম্যাচটি টাই হয়। শ্রীলংকার ইনিংসে ১২৪ রান করে ম্যাচ সেরা হন মারভান আতাপাত্তু।
চার বছর পর ২০০৭ সালেও মুখোমুখি হয় শ্রীলংকা ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের গায়ানায় অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ খেলাটিতে এক উইকেটে জিতেছিল প্রোটিয়ারা। এই ম্যাচে যৌথভাবে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান দুই পেসার দক্ষিণ আফ্রিকার চার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ডেট ও শ্রীলংকার লাসিথ মালিঙ্গা। ল্যাঙ্গাভেল্ডেট ৩৯ রানে পাচটি ও মালিঙ্গা ৫৪ রানে চার উইকেট শিকার করেছিলেন।
বিশ্বকাপে শ্রীলংকা-দক্ষিণ আফ্রিকা :
পঞ্চম বিশ্বকাপ ১৯৯২ ওয়েলিংটন শ্রীলংকা ৩ উইকেটে জয়ী
সপ্তম বিশ্বকাপ ১৯৯৯ নর্দাম্পটন দক্ষিণ আফ্রিকা ৮৯ রানে জয়ী
অস্টম বিশ্বকাপ ২০০৩ ডারবান টাই
নবম বিশ্বকাপ ২০০৭ গায়না দক্ষিণ আফ্রিকা ১ উইকেটে জয়ী।