লেখাপড়া চালু রাখতে রিকশা চালাচ্ছে মহিন

রিকশা চালিয়ে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার দোহার উপজেলার পদ্মা ডিগ্রী কলেজের (বিএ) অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মহিন।
পদ্মানদীর সর্বনাশা থাবায় নিজেদের মাথা গোঁজার একমাত্র বসতঘর, ফসলি জমি হারিয়েছেন। ২০০৮ সাল থেকে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র মহিন স্কুল বন্ধ হলে বাবার সাথে রিকশা-রাজমিস্ত্রি থেকে শুরু করে অন্যের জমিতে কাজ করে নিজের ও ভাই-বোনের লেখাপড়ার খরচ বহন করতেন। রিকশা চালক মহিন ২০১২ সালে নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়ে থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ ৩.৩৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।
মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসিতে ভর্তি হয়ে কৃতিত্বের সাথে পাস করেন। কিন্তু বাবার একার উপার্জনে পরিবার ও তার লেখাপড়ার খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। তাই কলেজে ছুটি পেলে সে রিকশা নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে দোহারের বিভিন্ন সড়কে। 
কথা হয় এই সংগ্রামী ছাত্র মো.মহিনের সাথে। সে জানায়, ‘বাবার একার আয়ে আমাদের পরিবার, দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এক ভাই ও বোন নবম শ্রেণিতে লেখাপড়ার খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। নদীতে বাড়ি ভাঙ্গার পর কুয়েতি সংস্থা থেকে বাবাকে একটি রিকশা দিলে সেই রিকশা চালিয়ে পড়ালেখার খরচ বহন করছি।’