‘সংজ্ঞা নির্ধারণের আগে কেন মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ’

 
 
 
 
 
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশের আগে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ সংজ্ঞা নিরূপণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন সচিব ও তালিকা প্রস্তুতকরণ কমিটিকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।
‘মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে নতুন সংজ্ঞা ও আবেদন যাচাই’ শিরোনামে গত ২ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়—স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর নতুন সংজ্ঞায় মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মোট ৮ দফা প্রশ্নের সঠিক জবাব মিললে মুক্তিযোদ্ধার সনদ মিলবে। মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় মিলবে বীরাঙ্গনা, মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা খেলোয়াড়, শিল্পী, সাহিত্যিক, সংবাদিকসহ রাজনীতিকদের। ২৮ মার্চ, ৪ ও ১১ এপ্রিল মোট তিন দিন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ হবে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন জামাল উদ্দিন শিকদারসহ ছয় মুক্তিযোদ্ধা।
আবেদনকারীর পক্ষে ড. রফিকুর রহমান ও হাসনাত কাউয়ুম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে।
হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘একেক সরকার একেক সময়ে বিধিমালা, গাইডলাইন দিয়ে একেকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞায়িত করছে। কিন্তু পরবর্তীকালে অন্য সরকার এসে এ সব বাতিল করে দেয়। এ জন্য আইন দ্বারা সংজ্ঞা নির্ধারণ প্রয়োজন। কিন্তু সেটা না করে গত ১৫ জানুয়ারি এ বিষয়ে একটি গাইডলাইন দেয়। সেখানেও একটি সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে ২৮ মার্চ থেকে যাচাই বাছাইও শুরু হবে। আমরা এই প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছি। আদালত রুল জারি করেছে।’