টানা ৫ কর্মদিবস ধরে পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন চলছে। কমে আসছে সার্বিক মূল্য সূচক। এ সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ২০৭ পয়েন্ট। বাজার সংশ্লিষ্টরা সাম্প্রতিক বাজার পতনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে দায়ী করছেন। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল বুধবার লেনদেন শুরুর পর পর ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক ৮৬ পয়েন্ট কমে গেলেও পরে কিছুটা উঠে আসে। তাই দিনের শুরুতে বড় দরপতনের আশঙ্কা দেখা দিলেও শেষ দিকে এসে কিছুটা রক্ষা পেয়েছে।
গতকাল দরপতনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল সিমেন্ট খাত। হোলসিমের সাথে লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের একীভূতকরণের বিষয়ে সংশয় সৃষ্টি হওয়ার খবরে লাফার্জের শেয়ারদর ব্যাপকভাবে কমেছে। গতকাল এ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। এমনকি পুরো সিমেন্ট খাতেই বড় রকম দরপতন হয়েছে। তবে গতকাল দরবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল ব্যাংকিং খাত। গতকাল এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানিরই শেয়ারদর বেড়েছে।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩১৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৪টির, কমেছে ১৭১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪১ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৫৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ২১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪০ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২২৩টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৫টির কমেছে ১৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের।