ইসির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে কোন প্রার্থীর প্রচারণা ও শুভেচ্ছামূলক কোন বস্তু দৃষ্টিগোচর হলে সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১০ এর পরিপন্থি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। বিধিমালার ৯ বিধি অনুসারে কোন প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে আচরণ বিধিমালার কোন বিধান লংঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়াও বিধি ১০ অনুসারে এ ধরণের অপরাধের জন্য নির্বাচন কমিশন কোন প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করতে পারেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলিতে এখনো সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরণের প্রচারণামূলক পোস্টার, ব্যানার ও বিলবোর্ড ঝুলছে। কিছু কিছু প্রার্থী প্রচার সামগ্রী অপসারণ করলেও অধিকাংশ প্রার্থীর ছবি সম্বলিত প্রচার সামগ্রী নগরীতে রয়ে গেছে। অনেক হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থীর পোস্টার, বিলবোর্ড শোভা পাচ্ছে।
গত বুধবার বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। আগামী ২৮ এপ্রিল এই তিন সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার সময় সিইসি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিন সিটির সব বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন সরানোর নির্দেশ দেন।