অনেকটা অসহায় হয়ে তাকে আবার অধিনায়ক হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। তিনি বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেট মস্তিষ্ক, তিনি দলের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। কিন্তু এবার তার মূল মিশন ছিল মূলত দল গুছিয়ে দেওয়া। হারতে থাকা দলটাকে একটু অনুপ্রাণিত করা। মাশরাফি বিন মুর্তজা সেই চাওয়ার চেয়েও বেশি কিছু দিলেন ২০১৫ বিশ্বকাপে। মাশরাফি সংবাদ সম্মেলনে বললেন, এই বিশ্বকাপ নিয়ে দলের ও সমর্থকদের গর্বই করা উচিত। বাজে আম্পায়ারিং এর ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেছেন, আর মাঠে যা ঘটেছে আপনারা সবাই তা দেখেছেন। এটা না হলে ম্যাচের রেজাল্ট অন্যরকমও হতে পারত।
রোহিতকে তো আপনারা আউট করেছিলেন। আউটটা পেলেন না। আপনার কী মনে হয়, বাইরের কোনো প্রভাব ছিল?
আমার মনে হয় না এই সব প্রশ্নের উত্তর এখানে দেয়া ঠিক হবে। মাঠে যেটাই ঘটেছে সেটা আপনারা সবাই দেখেছেন। আমার আসলে আলাদা করে এখানে কিছু বলার নেই। তবে হ্যাঁ একটা কথা বলতে পারি। আমাদের আসলে ঐই সময় একটা উইকেট খুব দরকার ছিল। ওদের আমরা ভালো চাপেই রেখেছিলাম। একটা উইকেট আমাদের খুব দরকার ছিল এবং উইকেটটা পেয়েছিলামও। কিন্তু অপ্রত্যাশিত হলেও সত্য সেটা নো বল দেয়া হয়েছে। বাদ বাকি যে প্রশ্ন আমার মনে হয় না এখানে আমাদের সেটার উত্তর দেয়া উচিত।
রোহিত শর্মা ও সুরেশ রায়নাকে আটকানোর পরিকল্পনা কী ছিল?
আসলে আমরা সব কিছু চেষ্টা করেছি। আসলে সেট ব্যাটসম্যানদের তাদের সার্কেলে আটকানো কিছুটা কঠিন হয়ে যায়। আর উইকেটটাতো খুব ভালোই ছিলো। আমরা জানিযে আগে ব্যাট করলে ২৭০/২৮০ রান হতে হারে। আর একটু বাজে বোলিং করলে তিনশো রান হতে পারে। আমরা যেটা শ্রীলঙ্কার ম্যাচে দেখেছি। আমার মনে হয় আমরা ২০ থেকে ৩০টা রান বেশি দিয়েছি। কিন্তু আমার মনে হয় ঐই সময় আসলে যা কিছু ট্রাই করার দরকার ছিল সবাই সেটাই করেছে। কিন্তু সফল হইনি। রায়না এবং রোহিতের জুটিটা ভাঙতে পারলে মোমেনটামটা আমাদের দিকে চলে অসাতো। যেটা হয়নি।
নিজের ভবিষ্যত নিয়ে কিছু চিন্তা করছেন। ইনজুরি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন অধিনায়কত্ব কি চালিয়ে যাবেন?
আমি যেহেতু টেস্ট ক্রিকেট খেলছি না ওয়ানডে ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার চিন্তা আছে। আর অধিনায়কত্ব নিয়ে তো আমার বলার কিছু নেই। আসলে আমাদের আসলে পরপর কয়েকজন অধিনায়ক পরিবর্তন হয়েছেন। ক্যাপটেনসি আমাদের জন্য কখনই কোন ইস্যু ছিলো না। এখনও নাই। যেই করুকনা কেন, সমস্যা নেই। আমরা আসলে সে ধরনের টিম হইওনি, যে আমাদের ঐই সব নিয়ে ভাবতে হবে। আমাদের কাজটা হলো ভালো খেলা। দলীয় খেলার মান বাড়ানো। যতটা সম্ভব আরো ভালে খেলা। বেশি ম্যাচ জেতা। আমারা আসলে বাহিরের বাড়তি ভাবনা নিয়ে এতটা ভাবি না।