নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেঁধে দেয়া ৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যে বিলবোর্ড নামলেও নতুন করে দেয়ালে সাঁটানো হচ্ছে পোস্টার। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচারণা আরো বেড়ে গেছে। সর্বত্র চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন ও লিফলেট বিতরণ। সম্ভাব্য মেয়র থেকে শুরু করে কাউন্সিলর প্রার্থীরা সমর্থন চেয়ে নানা বাণী ও স্লোগানে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকরা এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন এসব নির্বাচনী প্রচারণা। নগরীর পাড়া-মহল্লায় গনসংযোগ ও শোডাইন চলছেই।
দুই সিটির সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে বিলবোর্ড নামানোর চিত্র দেখলেও পাশাপাশি নতুন নতুন পোস্টার সাটানোও দেখেছেন। যাদের পোস্টার লাগানো হচ্ছে সেই সব প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ ইত্তেফাককে বলেন, ‘নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শুক্রবার ভোর ৪টা পযর্ন্ত দক্ষিণ সিটির পুরো এলাকায় অভিযান চালিয়েছি। নতুন বিলবোর্ড দেখতে পাইনি, তবে পোস্টার রয়েছে প্রচুর। গোপালশাহ মাজার এলাকায় পোস্টার লাগানোর সময় একজন মহিলাকে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়।
অন্যদিকে দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম বলেন, আইন সবার জন্যই সমান। আগাম প্রচারণাকারীদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। ৪৮ ঘন্টা সময় শেষ হওয়ায় এখন যাদের পোস্টার-ব্যানার পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশকেও এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।