সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রবিবার শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বেড়েছে ১০১ কোটি টাকার। তবে বৃহস্পতিবার ডিএসইতে চলতি বছরের সর্বনিম্ন ১৬৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল। সেই হিসাবে রবিবার লেনদেনে কিছুটা গতি ফিরেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন—লেনদেনের এ পর্যায় কাঙিক্ষত নয়, এটি আরো বাড়াতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও সেটি স্থিতিশীল থাকছে না। বর্তমান বিনিয়োগকারীদের অবস্থা বিবেচনায় কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার লেননেদ হওয়া প্রয়োজন।
রবিবার ডিএসইতে মোট ৩১০টি কোম্পানির ৬ কোটি ৭ হাজার ৭৫১টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬৮ কোটি ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৫৭৯ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ১০১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি।
ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৬৫ দশমিক ১৯ বেড়ে ৪৫৩৩ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৩৪ দশমিক ৩৯ বেড়ে ১৭২১ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস শরীয়াহ্ সূচক ২৩ দশমিক ২৭ বেড়ে ১১০৪ দশমিক ৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ৩১০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯২টির, কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—এসিআই লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, শাহাজীবাজার পাওয়ার, এসিআই ফরমুলেশন, ইফাদ অটোস, বেক্সিমকো লিমিটেড, অগ্নি সিস্টেম, এমজেএল বিডি, গ্রামীণ ফোন ও শাশা ডেনিমস।
দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক ৭৬ দশমিক ২১ বেড়ে ৮৩৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার। ২৩৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৪২টির, কমেছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির দর।