কামরুল গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থপাচার অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক

 
 
 
 
প্রাইম ব্যাংক ও উত্তরা ফিনান্স থেকে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাত্ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে কামরুল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার কমিশন দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিনকে এ বিষয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া দিয়েছে। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্র জানিয়েছে—কামরুল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসান অ্যাগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠার জন্য ২০১০ সালে প্রাইম ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ঋণ গ্রহণ করেন। যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ওই টাকা নিলেও মাত্র ২ কোটি টাকা খরচ করেন।
সূত্র আরো জানিয়েছে—প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ডিস্ট্রিবিউটরদের সাত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ড. কামরুল বিভিন্ন সময়ে ডিস্ট্রিবিউটরদের চেক প্রদান করলেও তার একাউন্টে কোনো টাকা না থাকায় চেক ফেরত দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। অ্যাগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ চালু করার জন্য ওই ঋণ গ্রহণ করলেও ইন্ডাস্ট্রিজ চালু করেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের নিয়োগ দিয়েও কোনো ধরনের বেতন দেননি। এ ছাড়া, তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে উত্তরা ফিন্যান্স থেকে পাঁচ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আরব আমিরাতে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।