গুয়াতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভগ্নদশা নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

উপজেলার মধ্য গুয়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা করুণ। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ফলে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের এ বিদ্যালয়টি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এ বিদ্যালয়টি ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। ভবনটিতে নেই দরজা-জানালা। আস্তর খসে খসে পড়ছে প্রতিনিয়ত। দীর্ঘ ৭/৮ বছর এসব দৈন্যতা চলছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বারান্দায় ক্লাশ করছে। এখন বরান্দা আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বারান্দার পিলার ও ছাদের আস্তর সম্পূর্ণ খসে পড়ে লোহার রড  বেরিয়ে গেছে।
 বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন জানান, একদিকে বিদ্যালয়টি চরম ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে লেট্রিন, টিউবওয়েল না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের পড়তে হয় বিড়াম্বনায়। কয়েকজন অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়টি পুনঃনির্মিত না হলে তারা তাদের সন্তানদের অন্য বিদ্যালয়ে পাঠাতে বাধ্য হবেন। ঝুঁকিপূর্ণ এ বিদ্যালয়টি ধসে পড়ে যেকোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

প্রধান শিক্ষক শাহ আলম তালুকদার জানান, বিদ্যালয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা দপ্তরে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ের বাস্তবতার বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুম বিল্লাহ জানান, প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের তালিকা মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।