দক্ষিণে ভোট কম প্রার্থী বেশি, উত্তরে তার উল্টো

 
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের একই মর্যাদা থাকলেও প্রার্থীদের পরীক্ষা হবে বিভিন্ন প্রশ্নে। একটি সিটির সম্ভাব্য মেয়রকে ২৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪৩২ জন ভোটারের মধ্যে অধিকাংশের মন জয় করে ভোট অর্জন করতে হবে। আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিজয়ী মেয়র প্রার্থীকে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৩৬৩ জন ভোটারের মধ্যে অধিকাংশের মন জয় করতে হবে। আবার উত্তরের চেয়ে দক্ষিণ সিটিতে ভোট কম হলেও তিনটি পদে ৮১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ২৬, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৫৩ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬৩২ মনোনয়ন জমা দেন। অন্যদিকে উত্তরে দক্ষিণের চেয়ে ৫ লাখ ভোট বেশি হলেও প্রার্থী ৬৫০ জন। এর মধ্যে মেয়র পদে ২১, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩৫ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৯৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা অতি সহজেই তাদের ভোটযুদ্ধে অংশ নেয়ার সুযোগ পেলেও ঘাম ঝরানো অগ্নিপরীক্ষা দিতে হবে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের। দুই সিটিতে কাউন্সিলর পদেও আছে ব্যাপক ভোটের ব্যবধান। দক্ষিণ সিটির ১৪ নং ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ভোট ৭৫ হাজার ১৭৫ আর ৩৭ নং ওয়ার্ডে সর্বনিম্ন ভোট ১২ হাজার ৯৬। এই সিটিতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ভোটের ব্যবধান ৬৩ হাজার। আবার উত্তর সিটির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ভোটার ১ লাখ ১৫ হাজার ৫৩৬ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৮ জন। সর্বনিম্ন ভোটার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ হাজার ৭৭৭ জন। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ভোটার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৩ হাজার ৬৮৫ জন। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দুই ওয়ার্ডের ভোটের ব্যবধান ৮৩ হাজার ৭৫৯। ফলে কোন প্রার্থীকে ১২ হাজার ভোটার আবার কাউকে ১ লাখ ১৫ হাজার ভোটারের মন জয় করে কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত হতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে ব্যাপক তারতম্য।
দক্ষিণে ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটার: ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১ নম্বর ওয়ার্ডের  ভোটার ৪৫ হাজার ৫৯৬ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৬ হাজার ৬৮৮ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৪ হাজার ৫৮২ জন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৮ হাজার ১০১ জন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার ৩৮ হাজার ৫১৪ জন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৪ হাজার ৯৭৫ জন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২৮ হাজার ৩৮৭ জন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২০ হাজার ৭৭৭ জন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬ হাজার ৫৭৭ জন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ১৬ হাজার ২৫৫ জন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪০ হাজার ১২৩ জন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৪ হাজার ৩৩০ জন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৪ হাজার ৫৪৭ জন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৫ হাজার ১৭৫ জন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৭ হাজার ৩৮ জন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৫০ হাজার ৮১ জন, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬ হাজার ৪৮৬ জন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৮ হাজার ৫৯৮ জন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৪ হাজার ২৯৭ জন, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬ হাজার ৬৫ জন, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ১৮ হাজার ৭২১ জন, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৫ হাজার ৩১৬ জন, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৩ হাজার  ৪৪৯ জন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৪২ হাজার ২৭৯ জন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২০ হাজার ২১৫ জন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২৮ হাজার ৮৭০ জন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ হাজার ৩৭১ জন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ১৫ হাজার ৮৩৫ জন, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬ হাজার ২১৪ জন, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ১৫ হাজার ৭৪৩ জন, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ১৫ হাজার ৯৮৩ জন, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ২০ হাজার ৯২০ জন, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬ হাজার ২৬৭ জন, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ২৩ হাজার ৬৮৯ জন, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে ১৫ হাজার ৬৪৩ জন, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ হাজার ৩১০ জন, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১২ হাজার ৯৬ জন, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯ হাজার ৭১৪ জন, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২৩ হাজার ৯৮২ জন, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬ হাজার ৫ জন, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ হাজার ৪৬৭ জন, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২২ হাজার ৬২৪ জন, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১৯ হাজার ৩৬৫ জন, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯ হাজার ৬৬ জন, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২৪ হাজার ৭৪১ জন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২৮ হাজার ৬৪৩ জন, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯ হাজার ৬২৪ জন, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৯ হাজার ৯২০ জন, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার ৫৪০ জন, ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৯ হাজার ৫৫৭ জন, ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭ হাজার ৯৯ জন, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৯ হাজার ২৩৩ জন, ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৯ হাজার ১৮৩ জন, ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭০ হাজার ১৭১ জন, ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৩ হাজার ২৯২ জন ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার  ৪১ হাজার ৮৬৬ জন।
উত্তরে ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটার: উত্তর সিটি করপোরেশনের-১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার ৬৩ হাজার ১২৬ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ১ লাখ ৬ হাজার ১৭২ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬২ হাজার ৫৫২ জন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৩ হাজার ৩৫৮ জন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭১ হাজার ৪৬৯ জন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১ লাখ ১৫ হাজার ৫৩৬ জন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৭০ হাজার ৬৮ জন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৭ হাজার ৭৪ জন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৪ হাজার ৫১৯ জন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৮ হাজার ৬৮০ জন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ৬০ হাজার ৪৪৪ জন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ৮২ হাজার ৫৯৭ জন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৯২ হাজার ২৬৪ জন, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৮ জন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৯ হাজার ৫৫ জন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৫ হাজার ৮৫ জন, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১ লাখ ৪ হাজার ৩৪০ জন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬ হাজার ৯৯৮ জন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৬২ হাজার ৯৯৯ জন, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৩ হাজার ৮০৬ জন, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৮ হাজার ৭৫৯ জন, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ১ লাখ ১ হাজার ৪৫ জন, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৫ হাজার ২৮৬ জন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৪ হাজার ২২৬ জন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৩ হাজার ৫৯৯ জন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৬ হাজার ৪৭৮ জন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৫ হাজার ৫৫০ জন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৫ হাজার ৬৯৪ জন, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬ হাজার ৯৪৬ জন, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ৯৭ হাজার ৮২৮ জন, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ হাজার ৭৭৭ জন, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৩ হাজার ৬৮৫ জন, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬০ হাজার ৩৩৯ জন, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৬ হাজার ১৬ জন, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৪ হাজার ২১০ জন এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার ৪৫ হাজার ২৪৬ জন।