গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার একটি মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের ফের তিন দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি দায়ের করা এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাকারিয়ার দাস তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিন রিমান্ড চান। মঙ্গলবার শুনানি উপলক্ষে রিজভীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম মোস্তাফিজুর রহমান রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিজভীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, ওমর ফারুক ফারুকী, নুরুজ্জামান তপন প্রমুখ।
গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনায় মিরপুর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গত ৪ মার্চ অষ্টম দফায় রিজভীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। ওই রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদপুর থানায় গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের আরেকটি মামলায় রিজভীকে সপ্তম দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে দেয়া হয়। চলন্ত গাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে যাত্রী হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একই থানার একটি মামলায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিজভীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একই থানার আরেকটি মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে দেয়া হয়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি একই থানার আরেক মামলায় ২ দিন, বাসে পেট্রোলবোমা হামলার ঘটনায় একই থানার মামলায় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৩ দিন, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের মামলায় ৩১ জন দগ্ধ এবং একজন নিহত হওয়ায় যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি ৫ দিন, একই ঘটনায় একই থানায় দায়েরকৃত আরেক মামলায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি ৫ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি বাড্ডা থানার একটি মামলায় ৩ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
গত ৩০ জানুয়ারি রাত পৌনে ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানের পার্ক রোডের একটি বাসা থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। এর পর থেকে তাকে রাজধানীর বিভিন্ন থানার মামলায় এখন পর্যন্ত তাকে ৩০ দিন রিমান্ডে নেয়া হলো।