'সমুদ্র বিজয়ে ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে'

 
'বাংলাদেশের সমুদ্র জলসীমা বিজয়ে দেশে ব্লু-ইকোনোমির এক ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশের উন্নয়নের জন্য এই সম্পদের দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে'। প্রধানমন্ত্রী বুধবার তার অফিসে মৎস্য ও চিংড়ি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির তৃতীয় সভায় এ কথা জানান। খবর- বাসসের।
প্রধানমন্ত্রী এসময় মৎস্য খাতে সার্বিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি এবং গভীর সমুদ্রে মৎস্য সম্পদ আহরণের জন্য দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি এ কে এম শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, কমিটির চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য খাতের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি হালদা নদীতে রুই মাছের অভয়াশ্রয়স্থল সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান। পরিবেশ বান্ধব এবং উন্নত চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে চিংড়ির উৎপাদ বাড়ানোরও আহবান জানান তিনি।
কমিটির সদস্য মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী মো. সায়েদুল হক, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, মৎস্য ও পশুসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, খাদ্যমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্ট এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ফিশ এন্ড শ্রিম্প ফাউন্ডেশন, ন্যাশনাল শ্রিম্প কালটিভেশন এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ম্যারিন ফিশারিজ এসোসিয়েশনের সভাপতিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশে বিদেশে মৎস্যের বাজার সৃষ্টি করতে সংশ্লিষ্ট কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসারদের ইনটেনসিভ প্রদান, ন্যাশনাল রেসিডিউ কন্ট্রোল প্ল্যানের (এনআরসিপি) ক্ষেত্র বাড়ানো এবং মৎস্যের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় জনশক্তি বাড়ানো এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোলের ক্ষমতা বৃদ্ধির আহবান জানান।