সিলেটে কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাতে ১ জনের মৃত্যু

কালবৈশাখী ঝড়ে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যাহত রয়েছে। নগরীতে বারবার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করছে। অনেক স্থানে রাতেও বিদ্যুত সরবরাহ চালু হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন সরবরাহ পুন:স্থাপনে চেষ্টা করছেন। এদিকে বজ্রপাতে সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সিলেট আবহাওয়া অফিস জানায় ক্ষণিকের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঝড়ো হাওয়ার গতিবেগ ছিল ৩৩ কি.মিটার।       
 
বুধবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের জগন্নথপুর উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখী ঝড়ে চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। শতাধিক গাছপালা উপড়ে গেছে। ঝড়ো হাওয়ার পর থেকে উপজেলার বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
 
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বজ্রপাতে মো. ইয়াজুল নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বড়দল নুতনহাটি গ্রামের ইয়াজুল  (২১) গরু নিয়ে সাঁতার কেটে স্থানীয় ইন্দ্র নদী পার হওয়ার সময় বজ্রপাতে তিনি মারা যান। তাহিরপুর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
 
জগন্নাথপুরের চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের পুঞ্জি মাঝপাড়া, রৌয়ারকান্দি, বেতাউকা, দাসনোওয়াগাঁও এলাকায় দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্থ হয়। চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের পুঞ্জি গ্রামের ফিরোজ মিয়া জানান, কাল বৈশাখী ঝড়ে তার ঘরটি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
 
চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মাহমুদ বলেন, কাল বৈশাখী ঝড়ে ইউনিয়নের শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বোরো ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে।
 
জগন্নাথপুর উপজেলা আবাসিক বিদ্যুৎপ্রকৌশলী জানান, বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে আমরা বিদ্যুত্ সংযোগ দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলেন, কালবৈশখী ঝড়ে কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন। তারা  ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের কাজ শুরু করেছেন।