ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে ২০৭টির শেয়ারদর কমেছে বৃহস্পতিবার। অর্থাত্, লেনদেনকৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনকৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যেও ৬৭ শতাংশের শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় কমেছে। এ দিকে, বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমায় ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১ শতাংশ কমে সাড়ে চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে এসেছে।
তথ্যে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪০ কমে ৪ হাজার ৪৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৬ কমে ১ হাজার ৭০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৮৫ কোটি ৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২০৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪০ কমে ১৩ হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ৪ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৩৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৪টির, কমেছে ১৬১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে—বৃহস্পতিবার বাজারে দরপতন প্রবণতার মধ্যেও যমুনা ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল লক্ষণীয়। কোম্পানিটি ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা করায় বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির দিকে ঝুঁকেছেন। এ কোম্পানির শেয়ারদর সাড়ে ৫ শতাংশ বেড়ে শীর্ষ দরবৃদ্ধির দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। লেনদেনের ক্ষেত্রে গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় ওষুধ খাত ছিল শীর্ষে। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার, যা বাজারের মোট লেনদেনের ২৩ শতাংশেরও বেশি।