গাইবান্ধায় নাশকতা মামলার আসামি শিবির কর্মীর মৃত্যু

গাইবান্ধা জেলা কারাগারের কয়েদি নাশকতা মামলার আসামি শিবির কর্মী শাহারুল ইসলাম (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মারা গেছেন।
ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মী শাহারুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের রাঘবপুর পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার ছেলে। 
জেলা কারাগারের জেলার মো. মাসুদুর রহমান জানান, শাহারুল ইসলাম নাশকতা ও সন্ত্রাস দমন আইনে আটক হয়ে প্রায় দুই মাস থেকে জেলহাজতে অবস্থান করতেছিলেন। শুক্রবার ভোরে তিনি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত শহরের আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  গোবিন্দগঞ্জ থানার উপ-পরির্দক (এস আই) আবুল কালাম আজাদ জানান, চলমান হরতাল-অবরোধ চলাকালে গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের কেশবপুর এলাকায় পার্কিং করে থাকা সুমি এন্টারপ্রাইজের একটি বাস গত ৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত গভীর রাত পৌনে ২টায় ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়ে দেয়। ওই ঘটনায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি উপ-পরির্দশক (এস আই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। দায়েরকৃত ওই নাশকতা মামলার এজাহার নামীয় ১৪নম্বর আসামি হিসাবে তাকে মহিমাগঞ্জের একটি ছাত্রাবাস থেকে নয় ফেব্রুয়ারি আটক করে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।  
জেলা সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু চৌধুরী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার ভোরে কারা কর্তৃপক্ষ শাহারুলকে অর্ধ অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ধারণা করা হচ্ছে হার্টআ্যাটার্কে তার মৃত্যু হয়েছে।